Navigation-Menus (Do Not Edit Here!)

Thursday, June 15, 2017

khela

khela

এই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি একবার আমাদের দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার যোগ্যতা প্রমাণ ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না। আফসোস নিয়ে আমরা সেদিন অন্যদের খেলা দেখেছি আর লগ্নের আশায় দিন গুনেছি। লারা, হেইডেন, টেন্ডুলকার, ক্যালিস, ক্রিসকেইন, ম্যাকগ্রা, ওয়াসিম, ওয়ালস, পোলকদের যুগে আমরা ছিলাম বেশ অনগ্রসর। আমাদের দু-একটা সফলতা কে তখন ‘আপসেট’ হিসেবেই গণ্য করা হতো। আর তাতেই আমরা তৃপ্তির ঢেকুর তুলতাম।
সত্যি, তখন এই মনস্তাত্ত্বিক খেলাটায় আমরা এতটা রপ্ত হইনি। ফলে প্রফেশনালিজমের চেয়ে ইমোশনালিজমটা বেশি কাজ করত। আমাদের আত্মবিশ্বাসের পারদ ছিল অনেক নিচে। কী সাংঘাতিক! একসময় আমরা টানা দুই বছর শুধু হেরেই গেছি। প্রতিপক্ষ কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, হল্যান্ড বা আয়ারল্যান্ড হলেই বেশ উদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছি। এই সেদিনও এক বিদেশি ক্রিকেটার আমাদের ‘পাড়ার টিমের’ কালিমা উপহার দিয়ে গিয়েছিল। এক দিকপাল কমেন্টেটর আমাদের ফিউচার পাকিস্তান বা মোস্ট আন কন্সিসটেন্ট টিমের উপমায় ভূষিত করে গেছেন
Cricket

Cricket

এই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি একবার আমাদের দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার যোগ্যতা প্রমাণ ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না। আফসোস নিয়ে আমরা সেদিন অন্যদের খেলা দেখেছি আর লগ্নের আশায় দিন গুনেছি। লারা, হেইডেন, টেন্ডুলকার, ক্যালিস, ক্রিসকেইন, ম্যাকগ্রা, ওয়াসিম, ওয়ালস, পোলকদের যুগে আমরা ছিলাম বেশ অনগ্রসর। আমাদের দু-একটা সফলতা কে তখন ‘আপসেট’ হিসেবেই গণ্য করা হতো। আর তাতেই আমরা তৃপ্তির ঢেকুর তুলতাম।
সত্যি, তখন এই মনস্তাত্ত্বিক খেলাটায় আমরা এতটা রপ্ত হইনি। ফলে প্রফেশনালিজমের চেয়ে ইমোশনালিজমটা বেশি কাজ করত। আমাদের আত্মবিশ্বাসের পারদ ছিল অনেক নিচে। কী সাংঘাতিক! একসময় আমরা টানা দুই বছর শুধু হেরেই গেছি। প্রতিপক্ষ কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, হল্যান্ড বা আয়ারল্যান্ড হলেই বেশ উদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছি। এই সেদিনও এক বিদেশি ক্রিকেটার আমাদের ‘পাড়ার টিমের’ কালিমা উপহার দিয়ে গিয়েছিল। এক দিকপাল কমেন্টেটর আমাদের ফিউচার পাকিস্তান বা মোস্ট আন কন্সিসটেন্ট টিমের উপমায় ভূষিত করে গেছেন
এই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি একবার আমাদের দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার যোগ্যতা প্রমাণ ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না। আফসোস নিয়ে আমরা সেদিন অন্যদের খেলা দেখেছি আর লগ্নের আশায় দিন গুনেছি। লারা, হেইডেন, টেন্ডুলকার, ক্যালিস, ক্রিসকেইন, ম্যাকগ্রা, ওয়াসিম, ওয়ালস, পোলকদের যুগে আমরা ছিলাম বেশ অনগ্রসর। আমাদের দু-একটা সফলতা কে তখন ‘আপসেট’ হিসেবেই গণ্য করা হতো। আর তাতেই আমরা তৃপ্তির ঢেকুর তুলতাম।
সত্যি, তখন এই মনস্তাত্ত্বিক খেলাটায় আমরা এতটা রপ্ত হইনি। ফলে প্রফেশনালিজমের চেয়ে ইমোশনালিজমটা বেশি কাজ করত। আমাদের আত্মবিশ্বাসের পারদ ছিল অনেক নিচে। কী সাংঘাতিক! একসময় আমরা টানা দুই বছর শুধু হেরেই গেছি। প্রতিপক্ষ কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, হল্যান্ড বা আয়ারল্যান্ড হলেই বেশ উদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছি। এই সেদিনও এক বিদেশি ক্রিকেটার আমাদের ‘পাড়ার টিমের’ কালিমা উপহার দিয়ে গিয়েছিল। এক দিকপাল কমেন্টেটর আমাদের ফিউচার পাকিস্তান বা মোস্ট আন কন্সিসটেন্ট টিমের উপমায় ভূষিত করে গেছেন
এই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি একবার আমাদের দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেবার যোগ্যতা প্রমাণ ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না। আফসোস নিয়ে আমরা সেদিন অন্যদের খেলা দেখেছি আর লগ্নের আশায় দিন গুনেছি। লারা, হেইডেন, টেন্ডুলকার, ক্যালিস, ক্রিসকেইন, ম্যাকগ্রা, ওয়াসিম, ওয়ালস, পোলকদের যুগে আমরা ছিলাম বেশ অনগ্রসর। আমাদের দু-একটা সফলতা কে তখন ‘আপসেট’ হিসেবেই গণ্য করা হতো। আর তাতেই আমরা তৃপ্তির ঢেকুর তুলতাম।
সত্যি, তখন এই মনস্তাত্ত্বিক খেলাটায় আমরা এতটা রপ্ত হইনি। ফলে প্রফেশনালিজমের চেয়ে ইমোশনালিজমটা বেশি কাজ করত। আমাদের আত্মবিশ্বাসের পারদ ছিল অনেক নিচে। কী সাংঘাতিক! একসময় আমরা টানা দুই বছর শুধু হেরেই গেছি। প্রতিপক্ষ কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, হল্যান্ড বা আয়ারল্যান্ড হলেই বেশ উদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছি। এই সেদিনও এক বিদেশি ক্রিকেটার আমাদের ‘পাড়ার টিমের’ কালিমা উপহার দিয়ে গিয়েছিল। এক দিকপাল কমেন্টেটর আমাদের ফিউচার পাকিস্তান বা মোস্ট আন কন্সিসটেন্ট টিমের উপমায় ভূষিত করে গেছেন